সম্প্রতি ঘোষিত নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৩-এর নভেম্বর-ডিসেম্বর বা ২০২৪-এর জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদি সব কিছু ঠিক থাকে অর্থাৎ ওয়ান-ইলেভেন সরকারের মতো
বর্তমানে বিশ্বব্যবস্থা এক নতুন ক্রান্তিকালে এসে দাঁড়িয়েছে। ঠাণ্ডাযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ার পর, তার প্রতিস্থাপন সম্ভব হয়নি। পেশা, আয় বণ্টনে বৈষম্য ও বাস্তুচ্যুত মানব প্রবাহে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থা প্রথম
আমরা টের পাচ্ছিলাম বেশ কিছু দিন ধরেই যে, বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে কেন? হুট করে বিদ্যুতের চলে যাওয়াকে লুকোচুরি খেলা বলে ভাবছিলাম। কিন্তু যখনই দেখলাম, প্রতিদিনই বিদ্যুৎ এই লুকোচুরি খেলা খেলছে,
বিশ্ব-পরিস্থিতি এখন একটি পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। চীন ও রাশিয়া বৈশ্বিক পর্যায়ে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা গ্রহণের ব্যাপারে সক্রিয় হতে শুরু করেছে প্রায় দশককাল আগে থেকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূ-রাজনৈতিকভাবে রুশ-চীন অক্ষ
মাদকের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করার পর চার শতাধিক ব্যক্তি দেশে বিচারবহিভর্‚ত হত্যার শিকার হলেন। এতগুলো প্রাণের বিনিময়ে দেশ থেকে মাদক চিরতরে নির্মূল হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা
মহামারী শেষ হয়েও শেষ হয়নি এমন একটি বছরের বাজেট, মতিগতিতে গজেন্দ্রগামী করোনাকালের বাজেট, বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতিতেও আপাতত তাল সামলানো অর্থনীতির বাজেট, যে অর্থনীতিতে বাজেট প্রকৃত অর্থে বাজেট হয় বা
মানুষের জীবনে অর্থবিত্তের প্রয়োজনকে অস্বীকার করা যায় না। ঠিক কত পরিমাণ অর্থবিত্ত থাকলে জীবন স্বাচ্ছন্দ্যে কেটে যাবে তা কেউ বলতে পারে না। তাই কিছু মানুষ বুভুক্ষের মতো সঞ্চয় করে। কারো
একটি পত্রিকা অফিসে চাকরির সুবাদে এক ভদ্রলোককে দেখতাম, প্রতিদিনই তিনি বিকেলে সেই অফিসে এসে দীর্ঘ সময় কাটাতেন। লেখা নিয়েই আসতেন। সপ্তাহে বা মাসে তার একটি-দু’টি লেখা ছাপা হতো। তার লেখায়
খুব মর্মস্পর্শী একটা কথা পেলাম ছোট পেটে সন্তানের জায়গা হয়, বড় ফ্ল্যাটে মায়ের জায়গা হয় না। বুকটা কেমন করে যেন হু-হু করে কেঁদে উঠল। অথচ কান্নাটা পানি হয়ে চোখে এলো
এ কথা বললে ভুল হবে না যে, ৭ মার্চের ভাষণটিই বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ ভাষণেই তার সুগভীর দার্শনিক চিন্তা ও গণমুখী নেতৃত্বের সর্বোচ্চ নান্দনিক প্রকাশ ঘটেছিল। রাজনৈতিক