অপহরণের ১৪ দিনের মাথায় আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের রাউজানের কলেজছাত্র সিবলী সাদিকের (১৯) দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অপহরণ মামলার এক আসামিকে পুলিশের
নওগাঁর আত্রাইয়ে বসতঘর থেকে মা ও মেয়র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছাগলে ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে সালিসে অপরাধি করায় তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন প্রতিবেশীরা। আজ শনিবার সকালে
রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের আগুনের ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেঃ কর্নেল
বহুল কাঙ্ক্ষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। উদ্বোধনের আগে বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন থেকে ভারত সীমান্তবর্তী
রাজধানীতে সুস্মিতা সাহা নামে এক নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়ায় অবস্থিত তার বান্ধবীর বাসা থেকে পুলিশ একটি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভিসির বাসভবন এবং বাস ভাঙচুরের ঘটনায় দু’টি মামলা হয়েছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে হাটহাজারী থানায় এসব মামলা হয়। একটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেখ মো: আবদুর
গাজীপুরের শ্রীপুরে চম্পা বেগম (৩২) নামের এক পোশাক শ্রমিককে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠছে তাকওয়া পরিবহনের বাসের চালক ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে উত্তাল হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি)ক্যাম্পাস। এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবন ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসে রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে আগুনও লাগিয়ে দেয়া হয়। চট্টগ্রাম
কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ফিশারীঘাটে মাছ ধরার ট্রলারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া ওসমান গনি (৬০) নামে আরো এক জেলে মারা গেছেন। সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের ৮২ ভাগের কাছে অভিবাসীদের অপ্রতিরোধ্য ঢলকে ‘মারাত্মক সমস্যা’ মনে হচ্ছে। তাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই বলছে, এখন সময় এসেছে ‘ঢলকে মন্থর’ করার। নতুন এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সিনা কলেজের জরিপকারী স্টিভেন গ্রিনবার্গ বলেন, ‘ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান, স্বতন্ত্র, আপস্ট্যাটার, ডাউন-স্ট্যাটারদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতাসহ বিশাল অংশ বলছে যে নিউইয়র্কে আসা অভিবাসীদের সাম্প্রতিক ঢলটি রাজ্যের জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা।’ সিনা কলেজের জরিপে দেখা যায়, ৮২ ভাগ ভোটার বলছেন যে বিগ অ্যাপল এবং এম্পায়ার স্টেটের বাকি অংশে অভিবাসীদের আগমন একটি বড় সমস্যা। আর ৫৪ ভাগ জবাবদাতা এটিকে ‘খুবই মারাত্মক’ সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। মাত্র ১৬ ভাগ ভোটার বলেছেন, এটা মারাত্মক কোনো সমস্যা নয়। নিউইয়র্ক সিটি এবং এম্পায়ার স্টেট উভয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আশ্রয়প্রার্থী এবং অন্যান্য অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় প্রদানের নীতিকে সমর্থন করে আসছে। কিন্তু ভোটাররা তাদের ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন, তারা হতাশ হচ্ছেন, মনে করছেন যে দেশের দক্ষিণ সীমান্ত অতিক্রম করে নিউইয়র্কে আসা অভিবাসীদের ঢলটি এখানকার বাসিন্দাদের সামাজিক নেটওয়ার্কে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করেছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেন, তার নগরীতে এক লাখের বেশি অভিবাসী এসেছে এবং এদের মধ্যে ৫৭ হাজার বর্তমানে শেল্টারে রয়েছে। জরিপে ভোটারদেরকে দুটি বক্তব্যের একটি বেছে নিতে বলা হয় : ‘নিউইয়র্কের অধিবাসীদের কি উচিত হবে নতুন অভিবাসীদের গ্রহণ করে তাদেরকে নিউইয়র্কে একীভূত করে নেওয়া’ নাকি ‘নতুন অভিবাসীদের জন্য নিউইয়র্কের লোকজন ইতোমধ্যেই যথেষ্ট কাজ করে ফেলেছে এবং এখন উচিত হবে নিউইয়র্কে অভিবাসীদের ঢল মন্থর করে দেওয়া।’ জবাবে ৫৮ ভাগ ভোটার বলেন, নিউইয়র্কাররা যথেষ্ট করেছেন, এখন অভিবাসন সীমিত করা উচিত। আর মাত্র ৩৬ ভাগ জবাবদাতা বলেন, রাজ্যের উচিত হবে আরো অভিবাসী গ্রহণ করা এবং তাদেরকে একীভূত করে নেওয়া। জরিপে রিপাবলিকানদের প্রায় ৮০ ভাগ এবং স্বঘোষিত স্বতন্ত্রদের ৬০ ভাগ বলেন, অভিবাসন ঢল বন্ধ করার সময় এখন। আর ডেমোক্র্যাটরা আরো অভিবাসীদের সহায়তা করা এবং আগমন প্রতিরোধ করার ধারণায় বিভক্ত। জরিপে ভোটারদেরকে আরো জিজ্ঞাসা করা হয়, অভিবাসীরা ভবিষ্যতে রাজ্যের জন্য বোঝা না আশীর্বাদ হবে বলে মনে করেন। এই প্রশ্নের জবাবও ছিল অবাক করা। জবাবদাতাদের ৪৬ ভাগই মনে করেন যে অভিবাসন বোঝা হবে। আর মাত্র ৩২ ভাগ মনে করেন, তারা রাজ্যের জন্য কল্যাণকর হবে। আর রিপাবলিকান ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটাদের ৬৭ ভাগ মনে করেন, অভিবাসীরা যতটা না কল্যাণকর হবে, তার চেয়ে বেশি হবে বোঝা। জরিপে নিউইয়র্ক সিটির দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার মনে করেন, অভিবাসীদের বর্তমান স্থান থেকে সরিয়ে তাদের আরো স্থায়ী স্থানে পুনর্বাসন করা হবে ভালো কাজ। জরিপে ভোটাররা ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, গভর্নর ক্যাথি হোকুল এবং নিউইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামসকে অভিবাসন ঢল সামাল দিতে ব্যর্থ হিসেবেই অভিহিত করেন। জবাবদাতাদের ৫৯ ভাগই মনে করেন, বাইডেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি। আর মাত্র ৩১ ভাগ মনে করেন, তিনি ভালোমতোই অভিবাসন সঙ্কটটি সামাল দিয়েছেন। একইভাবে ৫১ ভাগ ভোটার মনে করেন, হোকুল এই কাজে ব্যর্থ হয়েছেন, ৩৫ ভাগ তাকে সফল হিসেবে অভিহিত করেছেন। আবার ৪৭ ভাগ অ্যাডামসের কাজে অসন্তুষ্ট, ৩১ ভাগ সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন। জরিপ পরিচালনাকারী গ্রিনবার্গ বলেন, ‘সিনা কলেজের জরিপে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কবাসী বাইডেনকে পছন্দ করল না। ’ নিউইয়র্ক ডেমোক্র্যাটদের এলাকা হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ৪৭ ভাগ ডেমোক্র্যাট আগামী বছরের নির্বাচনে তাদের দল থেকে বাইডেনকে প্রার্থী হিসেবে পছন্দ করেছেন। আর ৪৬ ভাগই অন্য কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। আর গভর্নর পদে হোকুল খুবই খারাপ অবস্থানে রয়েছেন। মাত্র ৪০ ভাগ তার পক্ষে অভিমত প্রকাশ করেছেন। গভর্নর হিসেবে অ্যান্ড্রু কোমোর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এবারই তিনি সবচেয়ে কম জনপ্রিয় হিসেবে আবির্ভূত হলেন।