২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে বন্দুক হামলা চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে মার্কিন সেনাবাহিনী। ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। ছয় দশকের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো কোনো মার্কিন সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে।
পেন্টাগন সোমবার জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সুপারিশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সুপারিশ অনুমোদন করেছেন।
তবে কখন ও কোথায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। সেনাবাহিনীর নীতিমালা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের ৬০ দিনের আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। তবে ১৫০ দিনের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে।
২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটির একটি কেন্দ্রে তৎকালীন সেনা মনোরোগ চিকিৎসক নিদাল হাসান গুলি চালান। এতে ১২ জন সেনাসদস্য ও একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন আরও ৩২ জন। পরে হাসানকে গুলি করে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়।
মার্কিন সেনাবাহিনীর বিচারব্যবস্থায় বর্তমানে চারজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন। হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়, যখন মার্কিন সেনাবাহিনী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে আগে জানিয়েছিল এবিসি নিউজ।
সেনাবাহিনীর নথি অনুযায়ী, ‘অপারেশন রেজলুট জাস্টিস’ নামে একটি পরিকল্পনার আওতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ থেকে ইন্ডিয়ানার টেরে হটের ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কেন্দ্রের দিকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।
মার্কিন সেনাবাহিনী সর্বশেষ ১৯৬১ সালে কোনো সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল। ওই বছর অস্ট্রিয়ায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার দায়ে প্রাইভেট জন বেনেটের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তথ্যসূত্র: এবিসি নিউজ
Leave a Reply