ইউক্রেনে অব্যাহত রুশ হামলার মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন জেলেনস্কি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও তার পরিবারকে ওই প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বয়ং ব্রিটিশ
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি বলেছেন, ইউক্রেনের চলমান পরিস্থিতির জন্য বিশ্বাসের অযোগ্য, দুর্বল ও অক্ষম আমেরিকাই দায়ী। তিনি গতকাল মঙ্গলবার তেহরানে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা তালিকায় এবার যুক্ত হলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্টলেডি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ তালিকায় আরও আছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ
ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশিষ্ট সকল কোভিড বিধি তুলে নিচ্ছে বৃটেন। এরফলে আবারও কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়ের মতো চলাফেরা করতে পারবে মানুষ। সোমবার এক ঘোষণায় বৃটিশ সরকার জানিয়েছে, ইস্টারের সময় যে ছুটি
রাশিয়ার অভিযানে বাস্তুচ্যুত ইউক্রেন শরণার্থীদের নিয়ে করা এক প্রশ্নে হেসে ফেলায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়ারশতে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজেজ দুদার সঙ্গে বৈঠক
ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এক টুইটে জোর দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, নেটোর সমস্ত শক্তি দিয়ে ও
ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রতি সমর্থন দেয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মার্কিন আইনপ্রনেতারা ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা এবার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। রাশিয়া থেকে
ইউক্রেন অভিযানে রাশিয়ার ৫ থেকে ৬ হাজার সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। মার্কিন কর্মকর্তারা আরও জানান, ইউক্রেন অভিযানে
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। এরই মধ্যে দেশটির কয়েকটি শহর দখলে নিয়েছে রাশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন সরকারকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরও ১০ কোটি ডলারের সাহায্যের
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক জোট ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না; কিন্তু রাশিয়া যদি ন্যাটোর কোনো সদস্যরাষ্ট্রে হামলা করে, সেক্ষেত্রে মস্কোকে যথাযথ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের