1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

সময়ক্ষেপণের জন্য ইরানকে এখন মূল্য দিতে হবে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

আবারও ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ইরান অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ করেছে এবং এখন সেই সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে হবে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, “ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। তাদের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কার্যকর অস্তিত্বও আর নেই।”

ট্রাম্প আরও বলেন, “তারা পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। ইরান শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা তাদের নেই। মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত দাপুটে শক্তির মৃত্যু হয়েছে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলা চলছে। যদিও উভয় পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে বাস্তবে কোনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ইঙ্গিত রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

ট্রাম্প তার পোস্টে আরও বলেন, “তারা এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনায় খুব বেশি সময় নিয়েছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হতে পারতো। এখন তাদের সেই সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে হবে।”

তবে ‘মূল্য দিতে হবে’ বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, সে বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। ফলে তার এই মন্তব্য নতুন কোনও অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক বা সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য মূলত ইরানের ওপর রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়ানোর কৌশলের অংশ হতে পারে। একই সঙ্গে এটি ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানেরও প্রতিফলন। তবে ইরান এর আগে বহুবার যুক্তরাষ্ট্রের এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ওপর আস্থা প্রকাশ করেছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সংকট এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com