করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ৩ হাজার ২৯৩ জন। ভারতে সপ্তম দিনের মত এটিই সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। মহামারি শুরুর
করোনাভাইরাসের তীব্র প্রকোপের মধ্যেও ভারতে থেমে নেই অগ্নিকাণ্ড-দুর্ঘটনা। কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রের দুটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড ও গ্যাস লিকেজের কারণে নিহতের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবারও ঘটল আরেক দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রে থানে’র কাছে একটি
নতুন আরও ১০ হাজার যোগ হয়ে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১ লাখ ৩৩ হাজারে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে। ১৩০০ জনের মৃত্যু যোগ হয়ে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯২
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও অনেকের শরীরে গড়ে ওঠেনি স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। ভারতে হওয়া সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ভারতে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের অন্যতম কারণ হলো কোভিড-১৯ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডির অনুপস্থিতি।
২০২০ সালে বছরজুড়ে গোটা বিশ্বে ছিল করোনা ভাইরাসের তা-ব। এমন মহামারীর দুর্যোগকালেও দেশে দেশে আগের বছরের তুলনায় গত বছর সামরিক ব্যয় বেড়েছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ ২ দশমিক ৬ শতাংশ। স্টকহোম
মহামারি করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে ভারতে চিকিৎসা সরঞ্জামসহ সব কার্গো ফ্লাইট বাতিল করেছে চীন। আজ সোমবার চীনের সরকারি বিমান সংস্থা সিচুয়ান এয়ারলাইন্স আগামী ১৫ দিন চিকিৎসা সরঞ্জামসহ সবধরনের কার্গো ফ্লাইট বাতিল
কোভিড-১৯ মহামারীর থাবায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে শনাক্ত ও প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩১ লাখ এবং আক্রান্ত হয়েছে ১৪ কোটি ৭৭ লাখেরও বেশি মানুষ।
ভারতে সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়ে গেল দৈনিক সংক্রমণ সংখ্যা। সোমবার দেশটিতে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৯১ জন। সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায়
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের কাছে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সাবমেরিনটি খুঁজে পাওয়া গেছে। তিন টুকরো হয়ে সাবমেরিনটি পড়ে আছে সমুদ্রের তলদেশে। এতে যে ৫৩ জন ক্রু ছিলেন তারা সবাই নিশ্চিতভাবে মারা গেছেন
ফের কারফিউর সময় বাড়ল কুয়েতে। গত ৭ মার্চ থেকে চালু হওয়া এ কারফিউ দ্বিতীয় দফা বাড়িয়ে রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত নির্ধারিত করা হয়েছে। দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম আরব টাইমসসহ একাধিক পত্রিকায়