গত শনিবার আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে ছয় দশমিক তিন মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত আনে। এর চার দিন না যেতেই আবারো কেঁপে উঠল দেশটি। বাংলাদেশ সময় বুধবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৬টা ৪১ মিনিটে
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সোমবার সারা রাত ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। তারা জানিয়েছে, অবরুদ্ধ এলাকায় তারা এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় হামলাটি চালিয়েছে। এদিকে ঘোষণা ছাড়াই ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ইসরাইলের একটি সংহতি সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। এ সময় তিনি তার দেশে হামাসের সমর্থনে বিক্ষোভের নিন্দা করেছেন। ট্রুডো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর একটি পোস্টে বলেছেন, ‘ইসরাইলের উপর হামাসের
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস জানিয়েছে, ইসরাইল যদি আগাম সতর্কতা ঘোষণা না করে গাজা উপত্যকায় বোমা হামলা চালায়, তবে তারা যুদ্ধবন্দীদের হত্যা করবে। হামাসের সশস্ত্র শাখা ইজেদ্দিন আল-কাসাম বিগ্রেডের এক
ইসরাইল জানিয়েছে, তাদের এক ডেপুটি কমান্ডার নিহত হয়েছে। ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও লেবাননের শিয়াভিত্তিক সংগঠন হিজবুল্লাহর মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় তাদের এক ডেপুটি কমান্ডার নিহত হয়েছে।
ইসরায়েল বাহিনী ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ থামছেই না। নতুন নতুন হামলায় বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে হামাসের হামলায়
এশিয়ার বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে ইসরাইলে তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানোনো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হাইনান এয়ারলাইন্স (চীন-ইসরাইলের মধ্যে
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ গ্রুপ শনিবার থেকে চলমান যুদ্ধে অন্তত ১৩০ জন ইসরাইলিকে বন্দী করার দাবি করেছে। এছাড়া ইসরাইলের ৭৫০ জন নিখোঁজ রয়েছে। হামাসের সিনিয়র কর্মকর্তা
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সাথে ইসরাইলের লড়াই চলছে। এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশ তাদের অবস্থান প্রকাশ করছে। রাশিয়া অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করে অর্থপূর্ণ সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের
গাজাভিত্তি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলকে সহায়তা দানের জন্য রণতরির পাশাপাশি যুদ্ধবিমানও পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া অন্যান্য সামরিক সাহায্যও বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে হামাসও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী