দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বিদেশের নির্বাসনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে ঈদ উদযাপনের উৎসব আলাদা মাত্রা পেয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে দেশে ফিরে একটি অবাধ ও
বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশগ্রহণ করে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়। নির্বাচনের পর অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের দুই শরিককে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করেছে দলটি। তবে
রাজনীতিতে যারা মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাঙামাটি জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিন পর জুরাছড়িতে উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ ৮৭ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৯ মার্চ) এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির
কাতারে বসবাসরত ইরফান মিয়া নামে নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগের এক নেতা বর্তমানে দেশটির কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এর আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশি এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর সেই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। চিকিৎসার উদ্দেশে চীন যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে এই খসড়া তালিকা পৌঁছে দেন
ছাত্রদলের রক্ত ঝরালে, রক্তের বদলা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন তিনি। স্ট্যাটাসে ছাত্রদল সভাপতি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিনটি ঘিরে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে দলটি। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গঠন করতে পারলেও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় অন্তত শতাধিক নেতাকে বহিষ্কার করতে হয়েছে বিএনপিকে। তারপরও নির্বাচনী লড়াই থেকে বিরত রাখতে পারেনি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে জোটবদ্ধ রাজনীতির পথে হাঁটা শুরু করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুরুতে এই সমঝোতাকে শুধু নির্বাচনী সমন্বয় হিসেবেই দেখানো হলেও দীর্ঘ