স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
নথি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ের কার্যক্রমে প্রায় ৩৮ হাজার উদ্যোক্তা এবং ৫০ হাজার সেবাগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। এ সময় প্রায় ৪৯ হাজার ১১১টি নতুন কর্মদিবস সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আয় প্রায় ১২ কোটি টাকা বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলো অতিরিক্ত প্রায় আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।
এই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় নতুন প্রকল্পের আওতা সাতটি পৌরসভা থেকে বাড়িয়ে ৭০টি পৌরসভায় নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানো, উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং পৌরসভার সেবা ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় দেশের আট বিভাগের নির্বাচিত ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণির ৭০টি পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিকল্পনা কমিশনের নথি অনুযায়ী, পৌরসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসংখ্যা ও সেবার চাহিদা, দারিদ্র্য ও উন্নয়ন ঘাটতি, স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের সুযোগ, নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং ডিজিটাল সেবা ও ই-পেমেন্ট চালুর প্রস্তুতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যোগাযোগব্যবস্থা, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ভূমিকা এবং জলবায়ু ও ভৌগোলিক ঝুঁকিও বিবেচনায় ছিল।
গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পুনর্গঠন করে পাঠানো হয়েছে। কমিশন এটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
প্রকল্পটির বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি পানি ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) কবির আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে, রাজস্ব ও সেবাদানের সক্ষমতা বাড়বে এবং ডিজিটাল সেবা, উদ্যোক্তা সহায়তা ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।
Leave a Reply