আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল লিওনেল মেসি ও রেফারির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। প্রথমার্ধে এক ফ্রি-কিকের সময় পর্তুগালের রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর আচরণে
ফুটবল বিশ্ব আবারও সাক্ষী হতে যাচ্ছে এক ঐতিহাসিক মহারণের। চার দশক আগে বিশ্বকাপে যে লড়াই জন্ম দিয়েছিল ‘হ্যান্ড অব গড’ আর ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর মতো কিংবদন্তি মুহূর্তের, ঠিক ৪০ বছর
অতিরিক্ত সময়ের ১১২তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের দূরপাল্লার অসাধারণ গোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে। যদিও ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজ আরও একটি গোল করলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-১ গোলের
জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুললেন জুড বেলিংহাম। কোয়ার্টার ফাইনালে এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত সময়ে ২–১ ব্যবধানে নরওয়েকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর পর থেকেই সামাজিকমাধ্যমে মরক্কোর প্রতি নিজের সমর্থনের কথা বারবার জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। তবে প্রিয় দলের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার মুহূর্তে আর আবেগ ধরে রাখতে
ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি দুই ভিন্ন দর্শনের দুই দল। একদিকে তারকাখচিত আক্রমণভাগে বিধ্বংসী ফ্রান্স; অন্যদিকে শৃঙ্খলা, সাহস আর অদম্য লড়াইয়ের প্রতীক মরক্কো। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফরাসিদের কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল
বিশ্বকাপের ডামাডোলের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জিম্বাবুয়ে সফর করছে। তবে এবারের সফরে তাদের এখন পর্যন্ত বলার মতো কোনো সাফল্য নেই। একমাত্র টেস্ট ম্যাচ হেরেছে আড়াই দিনে, ইনিংস ব্যবধানে। তাদের আশা
এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের লড়াই যেন অন্য সব আসরকে ছাপিয়ে গেছে। একক কোনো খেলোয়াড়ের দাপট নয়, বরং চার মহাতারকার দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের দৌড়। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান
গ্যালারিভর্তি দর্শকের উন্মাতাল গর্জন, চেনা কন্ডিশন আর চেনা মাঠ-কোনো কিছুই যেন নিয়তি বদলাতে পারল না। চলতি উত্তর আমেরিকা আসরের নকআউট পর্বের রাউন্ড অব ১৬-তে এসে এক চরম ট্র্যাজেডির সাক্ষী হলো
টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর ম্যাচের ভাগ্য