দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী রোববার ও বুধবার সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ২, ৩ ও ৫ আগস্ট ব্যাংকে লেনদেনের সময় বাড়ানো হয়েছে। আজ বুধবার নতুন এক প্রজ্ঞাপনে
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প খাত করোনার প্রথম ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কায় আর লকডাউনে কী হবে, এর ভবিষ্যত সেটিই নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ আসে পোশাক
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারা দেশে চলমান কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার থেকে ব্যাংকে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।
ঈদের একদিন পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। ওই লকডাউনে রপ্তানিমুখী গার্মেন্টসসহ অন্য সব শিল্পকারখানাও বন্ধ থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো
করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে লকডাউন শিথিল করে ঈদে মানুষকে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। তবে ঈদের পরের দিন থেকেই টানা ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ওই কঠোর
যথাযথ নিয়মকানুন অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা না করায় ১০টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে এসব কোম্পানির সঙ্গে সেবা বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।
শর্তসাপেক্ষে আটদিনের জন্য শিথিল করা হলেও আগামী ২৩ জুলাই থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, এই সময় সরকারি, বেসরকারি অফিসসহ
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শুক্রবার পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে এই নিষেধাজ্ঞার চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার
আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও ঋণশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঋণগ্রহীতার দাখিলকৃত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের পদ্ধতি (ডিভিএস) নামক একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করা
মহামারী করোনা ভাইরাসের কশাঘাতে পুরো বিশ্বের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। আঘাত লেগেছে দেশের অর্থনীতিতেও। কিন্তু এই দুঃসময়ে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি রপ্তানির পালে হাওয়া দিয়েছে তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাকের ওপর ভর করে রপ্তানি