1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন অভিযানের তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যার হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন ছড়িয়েছে পাশের ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের ঘনঘটা সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেনে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন আজ

ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (ঢাকা উড়ালসড়ক) উদ্বোধন হবে আজ শনিবার। তবে এর ওপর দিয়ে যান চলাচল করতে পারবে রোববার থেকে।

বিকেল সাড়ে ৩টায় এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরের কাওলা প্রান্তে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন তিনি। সেখান থেকে গাড়িতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠবেন প্রধানমন্ত্রী। টোল পরিশোধ করে বিজয় সরণি প্রান্ত দিয়ে নেমে যাবেন আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে। সেখানেও উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন।

প্রথম দফায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত এটি খুলে দেয়া হবে। এ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার। থ্রি হুইলার, সাইকেল এবং পথচারীরা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। আর মোটরসাইকেল এখনই চলতে দেয়া হবে না। এছাড়া গাড়ি নিয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়ানো ও ছবি তোলা নিষিদ্ধ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠা-নামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প রয়েছে। এর মধ্যে বনানী ও মহাখালীর দু’টি র‌্যাম্প আপাতত বন্ধ থাকবে। এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যান চলাচলের জন্য টোল দিতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-ফার্মগেট অংশের টোল ৮০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা।

ক্যাটাগরি ১-এর অধীনে যেকোনো স্থান থেকে বিমানবন্দর-ফার্মগেট অংশ অতিক্রম করার জন্য গাড়ি, ট্যাক্সি, জিপ, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল, মাইক্রোবাস (১৬ আসনের নিচে) এবং হালকা ট্রাক (তিন টনের নিচে) টোল রেট ৮০ টাকা।

মাঝারি ট্রাকের জন্য (ছয় চাকা পর্যন্ত) যেকোনো পয়েন্ট থেকে রুট পার হওয়ার জন্য টোল রেট ক্যাটাগরি-২ এর অধীনে ৩২০ টাকা।

ক্যাটাগরি ৩-এর অধীনে যেকোনো পয়েন্ট থেকে রুট পার হওয়ার জন্য ট্রাকের (ছয় চাকার বেশি) টোল রেট ৪০০ টাকা। যেকোনো পয়েন্ট থেকে রুট পার হওয়ার জন্য যেকোনো বাসের (১৬ সিটের বা তার বেশি) টোল রেট ৪-ক্যাটাগরির অধীনে ১৬০ টাকা।

প্রকল্প সূত্র বলছে, বিমানবন্দর এলাকায় দু’টি, কুড়িলে তিনটি, বনানীতে চারটি, মহাখালীতে তিনটি, বিজয় সরণিতে দু’টি ও ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজের সামনে নামছে একটি র‌্যাম্প। এর মধ্যে বনানী ও মহাখালীর দু’টি র‌্যাম্পের কাজ শেষ হয়নি। এজন্য আপাতত র‌্যাম্প দু’টি বন্ধ থাকবে।

উড়ালসড়কটি তৈরি হচ্ছে সরকারের সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধানে। মূল উড়ালসড়ক ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পে ওঠা-নামার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র‌্যাম্প (সংযোগ সড়ক) রয়েছে। র‌্যাম্পসহ উড়ালসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট এই সাড়ে ১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে স্বাভাবিকভাবে এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগত। কোনো কোনো সময় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাও লেগে যায়। তবে উড়ালসড়কে সময় লাগবে ১০ থেকে ১২ মিনিট।

বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট যেতে কাওলা, কুড়িল আর গলফ ক্লাবে ওঠার ব্যবস্থা থাকবে। একদিকে নামা যাবে বনানী ও মহাখালী আর ফার্মগেটে। অন্যদিকে তেজগাঁও থেকে বিমানবন্দর যেতে বিজয় সরণি ওভারপাসের দুই প্রান্ত আর বনানী থেকে থাকবে ওঠার ব্যবস্থা। নামা যাবে মহাখালী, বনানী, কুড়িল ও বিমানবন্দর এলাকায়।

উড়ালসড়কটি কাওলা থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ঢাকার যানজট অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ওই বছরের জুন মাসে উড়ালসড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় প্রকল্পটি ২০১৬ সালে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু উড়ালসড়কের নকশা বদল, ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, অর্থের সংস্থানসহ নানা জটিলতায় নির্মাণকাজ শেষ করার সময়সীমা পাঁচ বার পিছিয়েছে। তবে প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

প্রকল্পটিতে থাইল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতাল-থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানির ৫১ শতাংশ, চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শেনডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যা কো-অপারেশন গ্রুপের ৩৪ শতাংশ এবং সিনোহাইড্রো করপোরেশনের ১৫ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। নির্মাণ পরবর্তী সাড়ে ২১ বছর উড়ালসড়কের টোল আদায় করে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের টাকা তুলে নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com