1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন অভিযানের তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যার হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন ছড়িয়েছে পাশের ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের ঘনঘটা সংঘাতের মধ্যে ইয়েমেনে বেড়েছে কলেরার প্রকোপ, সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচওর দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী প্রথম ধাপে ৮শ’ ইউপিতে ভোট, প্রভাব বিস্তার ও বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান

রাজউকের কথা কেউ শোনে না

ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে নোটিশ দিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও মাঝারি ঝঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় চিঠি দেয় রাজউক। একবার নয়, একাধিকবার চিঠি দিয়েও কোনো সংস্থার টনক নড়াতে পারেনি সংস্থাটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসলে রাজউকের কথা কেউ শোনে না।

রাজউকের আওতাধীন এলাকার ভবনগুলোর ওপর বিশ^ব্যাংকের অর্থায়নে আরবান রেজিলিয়ান্স প্রকল্পের আওতায় সরকারি হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বিশ^বিদ্যালয় ও বিভিন্ন অধিদপ্তরের ভবনগুলোর ওপর জরিপ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ২৫২টি ভবনের ওপর কাজ করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ২২৯টি ভবনের ডিটেইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট (ডিআইএ) করা হয়। তাতে ১৮৭টি ভবনকে রেট্রোফিটিং করার পরামর্শ দেয় রাজউক। আর ৪২টি ভবন অতিঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেগুলো ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেয়। এ বিষয়ে দুই দফা চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। তাই চরম ঝুঁকি নিয়েই কাজ চলছে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বিশ^বিদ্যালয় ও অধিদপ্তরে।

জানা গেছে, রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) যে ভবনটিতে বসেন, সেটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ১৭ তলার ডি ব্লকও ঝুঁকিপূর্ণ। বিএসএমএমইউর ‘এ’, ‘বি’ ও ‘ডি’ ব্লকের ভবনকে অতিঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে সেগুলো খালি করতে নির্দেশ দেয় রাজউক। গত মে মাসে চিঠি দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত বিএসএমইউ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার টেকনোলজি ভবন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের তিনটি ভবন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অতি পুরাতন একটি ভবন, মাদ্রাসা বোর্ডের ভবন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভবনও ঝুঁকিতে রয়েছে।

ঝুঁকি চিহ্নিত করে রাজউক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠি দিলেও তারা কোনো ভবন খালি করেছে এমন তথ্য নেই রাজউকের কাছে। সতর্ক করার পরও কোনো সংস্থা কাজ করছে না বিধায় রাজউক আরও একবার চিঠি দিতে পারে।

তবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ মেহেদী হাসান আনসারী মনে করেন, ভবনগুলো মজবুতিকরণ (রেট্রোফিটিং) করলে ঠিক হয়ে যাবে। তিনি বলেন, রাজউক মাত্র কয়েকটি সরকারি সংস্থার ভবন নিয়ে কাজ করেছে। অথচ পুরো ঢাকা শহরের ভবনই সার্ভে করা দরকার। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, রাজউক তাদের কাজ করেছে। এখন যেহেতু সরকারি ভবন, তাই সেগুলো মজবুতিকরণ করতে হলেও সরকারি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। এর জন্য বাজেট লাগে। সরকারি সিদ্ধান্ত লাগে। তাই সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা জোন ৪-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সাইফুজ্জামান চুন্নু আমাদের সময়কে বলেন, বিএসএমএমইউর ভবনগুলো নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে বুয়েট, গণপূর্ত, বিএসএমএমইউ যৌথভাবে পুনরায় পরীক্ষা করবে। পরীক্ষা করে দেখা হবে, আদৌ ভাঙতে হবে কি না। যদি ভাঙতে হয় তখন সিদ্ধান্ত হবে।

আরবান রেজিলিয়ান্স প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল লতিফ হেলালী আমাদের সময়কে বলেন, প্রকল্পের আওতায় বিদেশি বিশেষজ্ঞ দিয়ে আমরা ৩ হাজার ২৫২টি ভবন নিয়ে কাজ করেছে। তার মধ্যে ২২৯টি পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা হয়েছে। এই ২২৯টির মধ্যে ৪২টি ভেঙে ফেলার জন্য ভবন খালি করতে চিঠি দিয়েছিলাম। আমার জানামতে, এখন পর্যন্ত কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। রাজউকের চিঠি দেওয়া ছাড়া আর কী করার আছে? সরকারি প্রতিষ্ঠান ভাঙতে হলে সরকারি সিদ্ধান্ত লাগবে। আমরা আবারও চিঠি দিতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com