এনসিটিবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আনন্দময় শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও হাতে-কলমে কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য সামনে রেখে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।
চতুর্থ শ্রেণির ‘খেলাধুলা’ বইটি সাজানো হয়েছে ১৪টি অধ্যায়ে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস ও দাবার নিয়মকানুনের পাশাপাশি কারাতে, জুডো ও তায়কোয়ান্দোর মতো আত্মরক্ষার কৌশল তুলে ধরা হয়েছে। খেলাধুলার সময় আঘাত, নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও হিট স্ট্রোকের মতো পরিস্থিতিতে করণীয়, প্রাথমিক চিকিৎসা, পুষ্টি ও সামাজিক দক্ষতা সম্পর্কেও ধারণা পাবে শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে ১১টি অধ্যায়ে সাজানো ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইয়ে ভাষা, পোশাক, শিল্পকলা, খাবার, সামাজিক রীতিনীতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে রয়েছে শিশুদের প্রতিভা অন্বেষণমূলক আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি’র ইতিহাস এবং ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে আয়োজনটি শুরুর তথ্য।ষষ্ঠ শ্রেণির ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বইটি ছয়টি অধ্যায়ে সাজানো হয়েছে। এতে পরীক্ষা ও মুখস্থনির্ভরতার বাইরে দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সৃজনশীলতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আটটি অধ্যায়ের ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বইয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার, সমস্যা সমাধান, ছোট উদ্যোগ, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই জীবনযাপনের বিষয় রয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব কাজের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক এ কে এম শওকত আলী খান বলেন, নতুন বইগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে আনন্দময় পরিবেশে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।
Leave a Reply