২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেন, তখন এর লক্ষ্য ছিল সুনির্দিষ্ট : ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস, নৌবাহিনী গুঁড়িয়ে দেওয়া ও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বক্তব্য শেষ হতেই ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে,
ইরানে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো হচ্ছেন মার্কিন সেনারা। আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প একটি চূড়ান্ত সামরিক আঘাত হানার পরিকল্পনা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এশিয়া থেকে
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিক্ষোভ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক এক মাসের মাথায় সারা যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তায় নামলেন বিক্ষোভকারীরা। শনিবারের (২৮ মার্চ) এই মিছিল ছিল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের পাল্টা কৌশল ও প্রতিরোধের কারণে ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা অব্যাহত থাকা, জ¦ালানি বাজারে অস্থিরতা এবং কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরিস্থিতি
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই যুদ্ধের জেরে মিত্র থেকে শুরু করে শত্রু দেশগুলো
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক হামলা সোমবার (১৬ মার্চ) পর্যন্ত টানা ১৭ দিনে গড়িয়েছে। এরই মধ্যে হামলার নেপথ্য নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। চলতি
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র দাবি করেছেন, ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফাজল
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘তিনি (মোজতবা) আদৌ বেঁচে আছেন কি না, আমি
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র । মার্কিন পররাষ্ট্র