যুদ্ধরত রাশিয়ার বিশেষ বাহিনীর সেনাদের ‘বীরত্বের’ প্রশংসা করেছেন প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন গণহত্যার শামিল’। খবর বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের। রবিবার পুতিন টেলিভিশনে
ইউক্রেনজুড়ে যখন রুশ সেনাদের সঙ্গে দেশটির সামরিক বাহিনীর লড়াই চলছে, সেই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফোনালাপে তিনি বরিসকে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা
রোববার সকালে আচমকাই ভারতের মুম্বাইয়ের একটা বড় অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। যার জেরে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় শহরবাসীদের। বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের কমিশনার ইকবাল সিংহ চহাল জানিয়েছেন, টাটা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটা অংশ
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে এখন পর্যন্ত হামলা ও সংঘাতে অন্তত ২৪০ বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রম সমন্বয়কারী সংস্থা (ওসিএইচএ)।
ইউক্রেন-রাশিয়ার সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিশ্বকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এদিকে আল জাজিরা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো রাশিয়ার বিমানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেব। শনিবার জার্মানির এআরডি টেলিভিশন তাদের নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে। কবে নাগাদ নিষেধাজ্ঞা জারি করা
বাল্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। এসব দেশের ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোও এখন রাশিয়ার ওপর দিয়ে উড়তে পারবে না। এর আগে শনিবার সকালে বাল্টিক অঞ্চলের লাটভিযা, এস্টোনিয়া ও লিথুয়ানিয়া
রাশিয়াকেআর্থিকভাবে কোনঠাসা করতে আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট পেমেন্ট নেটওয়ার্ক থেকে দেশটির ব্যাংকগুলোকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের লাগাম কোনোভাবেই টেনে ধরা যাচ্ছে না। রোববার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১৩ লাখ ৩ হাজার ৯১১ জন। একই সময়ে মৃত্যু
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা অভিযানকে ‘আগ্রাসন’ বলার অধিকার ন্যাটো জোটের নেই। তিনি শনিবার মস্কোয় বলেন, ন্যাটো জোটের সদস্য দেশগুলো আলোচনায় বসতে রাজি না হওয়ায়