ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়েছে আজ। দেশের ভোটের রীতি অনুযায়ী এবারও পীর-আউলিয়ার মাজার ও শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ মিনারে শপথের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামছে রাজনৈতিক দলগুলো। আবার
নির্বাচন থেকে সরে যেতে দলের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ এবং সর্বশেষ সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কার করা হলেও বিএনপির ‘অভিমানী’ নেতাদের কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত রয়ে গেছেন নির্বাচনের মাঠে। গতকাল মঙ্গলবার
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং জোটভুক্ত অন্য দলের কেন্দ্রীয় ও প্রভাবশালী নেতাদের আসনভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। কেউ কেউ একাধিক
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে সারাদেশে ৩০০ নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্তত ৩২৫টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে এসব কেন্দ্রে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে ভোটের মাঠে ফিরেছেন ৪২২ জন প্রার্থী। বিপরীতে আপিল করেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি ২১২ জন। তবে আপিলে ব্যর্থ প্রার্থীরা চাইলে উচ্চ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই ১০ দল বৃহস্পতিবার ২৫৩ আসন নিজেদের মধ্যে বণ্টন
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে দেওয়া ৪৪ আসন থেকে ভাগ চাইছে এনসিপি এবং মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এনসিপিকে ৩০ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। দফায় দফায় আলোচনার পরও আসন সমঝোতার পরিবর্তে জোটে ‘জট’ তৈরি হয়েছে। টানাপোড়েন এক
আসন সমঝোতা নিয়ে আজ বুধবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ১১ দল। দুপুরে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এর পর সন্ধ্যায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার জট এখনো কাটেনি। কোন দল কতটি আসন নিয়ে নির্বাচন করবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মূলত জামায়াত ও