মিয়ানমারের নেত্রী সু চির সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের আলোচনায় রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। শুক্রবার টেলিফোনে কথোপকথনের সময় মিয়ানমারের সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন সু
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। নতুন সরকারের প্রস্তুতি হিসেবে কেবিনেট সদস্যদের বিষয়টি এখন আলোচনায়। সর্বত্রই গুঞ্জন কে কে স্থান পাচ্ছেন বাইডেনের নতুন প্রশাসনে। এই আলোচনায় ইতোমধ্যেই
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে হেরে যাওয়া অঙ্গরাজ্যগুলোতে মামলা করেছিলেন ট্রাম্প সমর্থকেরা। তবে তাতে খুব একটা লাভ হলো না। উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে না পারায় বেশির ভাগ জায়গাতেই
করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ আসার খবরে যুক্তরাষ্ট্রে টয়লেট পেপারের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে টয়লেট পেপার এবং পরিষ্কার সামগ্রী কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছে মার্কিনীরা। বৃহস্পতিবার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর সেখানে
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে দুই সপ্তাহের বেশি হলো। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার মধ্যে পরাজয় স্বীকার করে
আন্তর্জাতিক সমঝোতার রীতিনীতি ভেঙে পড়ছে। তাই নষ্ট করার মতো সময় নেই, আমেরিকার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে খুব দ্রুত কাজে নেমে পড়া হবে এবং এটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাবি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অঙ্গীকার। কথাগুলো
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে পরাজয়ের পর সবার কাছ থেকে আলাদা থাকছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ভার্জিনিয়ায় তার গল্ফ ক্লাব ছাড়া অন্য কোথাও তেমন দেখা মেলেনি তার। কোনো ধরনের
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোট কারচুপির যে অভিযোগ তুলেছেন তার বিরোধীতা করায় শীর্ষ একজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অত্যন্ত ভুল মন্তব্য করায় সাইবার
যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক রোগ বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা ড. এন্থনি ফাউচি মডার্নার ভ্যাকসিনের আগাম ফলাফলকে ‘আশ্চর্য অসাধারণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আমি বলেছি এবং স্বীকার করি ভ্যাকসিনের
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ফের শুরু হয়েছে লকডাউন। এ ক্রান্তিকালে দেশটিতে আগের তুলনায় বেড়ে গেছে সন্ত্রাসী ও উগ্রপন্থি কর্মকা-। ব্রিটিশ সরকার স্বীকৃত অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের (ওএনএস)