1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার ছুটির তালিকা এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এই বন্ধ উপভোগ করা যাবে। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময়সূচিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে।

এদিকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটিও বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে নতুন করে ছুটি ঘোষণা করায় এবারের দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীরা মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে আগে থেকেই ছুটি নির্ধারিত ছিল। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নতুন করে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৮ অক্টোবর রবিবার থেকে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ছুটি শুরুর আগে ও পরে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষার্থীরা আরও চার দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারে।

এর পরদিন ২৫ অক্টোবর রবিবার লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আরও এক দিন ছুটির সুযোগ রয়েছে। ফলে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৬ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ দিনের পাওয়া যাবে। তবে এ ছুটির বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। একাডেমিক ক্যালেন্ডারের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটির সময়সূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ-৪ শাখার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কলেজে এ বছর ১৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ দিনের ছুটি রাখা হয়েছে। এ হিসাবের মধ্যে মাঝের দুই শুক্র ও শনিবার অন্তর্ভুক্ত নয়। দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর পাশাপাশি প্রবারণা পূর্ণিমা ও ২৫ অক্টোবরের লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে এই ছুটি রাখা হয়েছে।

কলেজের এ ছুটির আগে ও পরের শুক্র-শনিবারও যুক্ত করলে বিরতিটি আরও দীর্ঘ হবে। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এবং ৩০ ও ৩১ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি ধরলে মোট ১৬ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।

অন্যদিকে পূজা উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও তিন দিনের ছুটি পাবেন। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে ছুটির সময়সূচি এক নয়। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকারি ছুটির তালিকা সরাসরি প্রযোজ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় নিজেদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে ছুটির দিন নির্ধারণ করে।

এ কারণে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির সময়সূচিতে ভিন্নতা থাকতে পারে। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি ছুটির সঙ্গে মিল রেখে ছুটি দিতে পারে। আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এর আগে বা পরে অতিরিক্ত ছুটি নির্ধারণ করতে পারে। একইভাবে ক্লাস, পরীক্ষা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আবাসিক হলের কার্যক্রমের সময়সূচিও প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা হতে পারে। ফলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি কত দিন থাকবে বা টানা কত দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক বিজ্ঞপ্তি বা একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

৭ দিনের ছুটি পাবেন যারা : আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা মোট তিন দিনের সরকারি ছুটি পাবেন। তবে ১৮ অক্টোবর রবিবার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।

ফলে তারা ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হবে। ফলে মহাসপ্তমী ও মহাষ্টমীর ঐচ্ছিক ছুটি আগে থেকে নিলে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

অর্থাৎ মহাসপ্তমী ও মহাষ্টমীর ঐচ্ছিক ছুটি, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি এবং পরবর্তী দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে তাদের জন্য টানা সাত দিনের বিরতি তৈরি হবে।

বন্ধ থাকবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও : দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট ব্যাংকিং সেবা চালু থাকতে পারে। এ ছাড়া এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকবে।

জরুরি সেবার কর্মীদের ছুটি নেই : সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। জনসেবা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটির দিনেও কর্মীদের দায়িত্বে রাখতে পারে।

এ তালিকায় হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবার কর্মী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী, গ্যাস ও পানি সরবরাহের কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্যান্য জরুরি সেবার কর্মীরা রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com