1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

পশ্চিমবঙ্গে মোদির দলের হাত ধরে রেস্তোরাঁ থেকে উধাও গরুর মাংস!

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই রাজ্যের খাদ্যসংস্কৃতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন শুরু হয়েছে। নির্বাচনে জয়লাভের কয়েক দিনের মধ্যেই কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁর মেনু থেকে গরুর মাংসের খাবার উধাও হতে শুরু করেছে।

রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির বিজয়ের পর নতুন প্রশাসনের একাধিক পদক্ষেপ কার্যকর হতে থাকে। এর প্রভাব পড়েছে সরাসরি রেস্তোরাঁ ব্যবসা ও পশু বাজারে।

রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি, গরুর মাংসের সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি সামাজিক উত্তেজনা ও হামলার আশঙ্কাও তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। ফলে বিফ স্টেক, চপ, বিরিয়ানি।  ধরনের জনপ্রিয় খাবার এখন আর অনেক জায়গায় পরিবেশন করা হচ্ছে না।

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ শেখস জানায়, সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা স্থায়ীভাবে গরুর মাংসের খাবার পরিবেশন বন্ধ করেছে। অন্যদিকে মোকাম্বো রেস্তোরাঁ বলছে, মেনুতে খাবার থাকলেও সরবরাহ না থাকায় পরিবেশন সম্ভব হচ্ছে না।

দ্য বার্গার শপ সামাজিক মাধ্যমে জানায়, দীর্ঘদিনের মেনু পরিবর্তন করতে হচ্ছে এবং তাদের রেস্তোরাঁয় আর গরুর মাংস পাওয়া যাবে না।

এদিকে রাজ্য সরকার ঈদুল আজহার আগে গরু, ষাঁড় ও মহিষ প্রকাশ্যে জবাই নিষিদ্ধ করে পুরোনো আইন কার্যকর করেছে। একই সঙ্গে জবাইয়ের জন্য প্রতিটি পশুর ক্ষেত্রে সরকারি সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যেখানে পশুর বয়স বা কর্মক্ষমতা যাচাই করা হবে।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে পশু বাজারেও। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার খামারি গোপাল দাস জানান, নতুন নীতির কারণে গবাদিপশু পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন খরচ বাড়লেও বিক্রির সুযোগ কমে গেছে, ফলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

আইনটি ঘিরে ইতোমধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে খামারিরা বিক্ষোভও করেছেন।

ভারতে হিন্দুধর্মে গরুকে পবিত্র মনে করা হয়। তবে মুসলিম, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনেকেই খাদ্যতালিকায় গরুর মাংস গ্রহণ করে থাকেন।

এই প্রেক্ষাপটে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিছু আলেম সম্ভাব্য আইনগত জটিলতা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আশঙ্কায় কোরবানি বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজ্যে নতুন সরকারের আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বুলডোজার অভিযান, শহরের রঙ পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক দপ্তর স্থানান্তরের মতো পদক্ষেপ ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com