1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

গ্যাং সহিংসতায় রক্তাক্ত হাইতি, নিহত ৭০

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ হাইতির আর্টিবোনিত অঞ্চলে সশস্ত্র গ্যাং হামলায় বিপুলসংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে অন্তত ৭০ জন নিহত হন। হামলায় বহু ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় ও হাজারও মানুষকে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, হাইতির প্রধান কৃষি অঞ্চল আর্টিবোনিতে গ্যাং হামলায় ৭০ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা ডিফঁসার প্লাস। এই সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১৬ জন বলে বলা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানান, গত রবিবার ভোরে জঁ-দেনি এলাকার আশপাশের গ্রামীণ অঞ্চলে হামলা শুরু হয় এবং তা সোমবার ৯৩০ মার্চ) ভোর পর্যন্ত চলে। হামলার সময় গ্যাং সদস্যরা এলাকায় ঢুকে বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ডিফঁসার প্লাস জানায়, এই সহিংসতায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এর আগে জাতিসংঘের হিসাবে কাছাকাছি এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার কারণে কয়েকদিনের মধ্যেই ২ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে বলা হয়েছিল।

পুলিশ শুরুতে ১৬ জন নিহত ও ১০ জন আহতের কথা জানায়। সিভিল প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক প্রতিবেদনে ১৭ জন নিহত ও ১৯ জন আহতের কথা বলা হয়, যাদের বেশিরভাগই পুরুষ।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এক ব্রিফিংয়ে বলেন, হাইতিতে জাতিসংঘের কার্যালয় বিনুহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ৮০ জনের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানান।

ডিফঁসার প্লাস এবং ‘কালেকটিভ টু সেভ দ্য আর্টিবোনিত’ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিক্রিয়ার অভাব এবং আর্টিবোনিত অঞ্চলকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে ছেড়ে দেয়া কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার চরম উদাহরণ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com