1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন

আইসিসি নকআউট ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নড়বড়ে ভারত

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার বড় আসরের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আবারও মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এবার তাদের লড়াই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। বিশ্বমঞ্চে এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের বিপক্ষে বেশ শক্ত অবস্থানেই রয়েছে নিউজিল্যান্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত নিউজিল্যান্ড। তিনবার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই জয় পেয়েছে কিউইরা। তাই ফাইনালে কে এগিয়ে—এমন প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া কঠিন হলেও অতীতের রেকর্ডে ভর করে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আত্মবিশ্বাসী থাকতেই পারে নিউজিল্যান্ড।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ভারত ও নিউজিল্যান্ড এখন পর্যন্ত মোট ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ছয়টিতে জয় পেয়েছে ভারত। ফলে সূর্যকুমার যাদবের দলের বিপক্ষে পরিসংখ্যানে পরিষ্কারভাবেই এগিয়ে নিউজিল্যান্ড।

তবে বিষয়টি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। কারণ দ্বিপক্ষীয় সিরিজে প্রায় সব ফরম্যাটেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতই আধিপত্য দেখিয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার বড় আসরে মুখোমুখি হলেই চিত্রটা উল্টো হয়ে যায়। এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি ঐতিহাসিক কারণ।

সুইং বোলিংয়ে শুরুর ধাক্কা

নিউজিল্যান্ডের বড় শক্তি হচ্ছে নতুন বলে দারুণ সুইং করানো। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং ২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও ম্যাট হেনরির ত্রয়ী শুরুতেই ভারতের ব্যাটিংয়ের শীর্ষ সারি ভেঙে দেয়। রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলির মতো ব্যাটারদের দ্রুত ফেরানোয় ভারত চাপে পড়ে যায়। শুরুর উইকেট হারালে পুরো ব্যাটিং লাইনআপই প্রায়শ ভেঙে পড়েছে।

কৌশলগত নমনীয়তা ও শৃঙ্খলা

নিউজিল্যান্ড দলগত পারফরম্যান্সের জন্যই পরিচিত। বড় কোনো তারকার ওপর নির্ভর না করে সমষ্টিগত শক্তিতেই তারা ম্যাচ জিতে নেয়। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নাগপুরের স্পিন সহায়ক উইকেটে স্বাগতিক ভারতকে স্পিন আক্রমণেই পরাস্ত করেছিল তারা। মিচেল স্যান্টনার ও ইশ সোধি মিলে মাত্র ১২৭ রান রক্ষা করতে গিয়ে ভারতকে ৭৯ রানে গুটিয়ে দেন।

নকআউট ম্যাচের মানসিক বাধা

দীর্ঘ সময় ধরে বড় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মানসিক চাপেও ভুগেছে ভারত। ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর অনেক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার কোনো নকআউট ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারেনি ভারত। অবশেষে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে সেই বাধা ভাঙে রোহিত শর্মার দল। যদিও পরে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় তারা।

কেন ভিন্ন সূর্যকুমারের দল

তবে বর্তমান ভারতীয় দলটি আগের দলগুলোর তুলনায় কিছুটা আলাদা। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত এখন অনেক বেশি আক্রমণাত্মক কৌশল অনুসরণ করছে।

আগের মতো শুরুতে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং না করে এখন প্রথম থেকেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করছে ভারত। এতে নিউজিল্যান্ডের সুইং বোলারদের পরিকল্পনা অনেকটাই ভেঙে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

এর সঙ্গে রয়েছে রহস্যময় স্পিন আক্রমণ এবং শক্তিশালী মধ্যক্রম। হার্দিক পান্ডিয়া ও শিবম দুবের মতো ফিনিশার থাকায় শুরুতে উইকেট পড়লেও রান তোলার গতি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।

সব মিলিয়ে কৌশলগত এই পরিবর্তনের ফলে অতীতে বড় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে যে মানসিক ও কৌশলগত সুবিধা পেত নিউজিল্যান্ড, এবার সেটি অনেকটাই কমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com