পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেসব ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রতি তিন মাস অন্তর আলোচনা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ আদায়ের বাধা চিহ্নিত করে তা দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হবে।
দীর্ঘমেয়াদে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে ঋণ অনুমোদন, তদারকি, আদায় ও শ্রেণিকরণের প্রতিটি পর্যায়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়ার পর আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শুরু থেকেই ঋণঝুঁকি চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮১ হাজার ২৩৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা মোট ঋণের ৩১ দশমিক ৪১ শতাংশ।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান অঞ্চলের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেম বলেন, ব্যাংক খাতে ছাড় দেওয়ার প্রবণতা বন্ধে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ। খেলাপি ঋণ নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করতে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা উভয় পক্ষকে কার্যকর সমাধান খুঁজতে উৎসাহিত করার মতো প্রণোদনা তৈরি করা প্রয়োজন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঋণ আদায় জোরদার, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
Leave a Reply