1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন

৬ মাসেও এনা পরিবহনের বাস দুদকের হাতে যায়নি

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

চাঁদাবাজির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্যাহ, তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা ১৭৯টি বাস জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এ আদেশের ৬ মাস পরও বাসগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি দুদক।

দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির দাবি, বাসের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ করতে গেলে বেশ কয়েকটি সংস্থার সমন্বয়ের প্রয়োজন, এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যে কারণে সময় লাগছে।

২০২০ সালের এনায়েত উল্যাহ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। এরপর ২০২১ সালের ১৪ জুন তাদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠায় দুদক।

ওই বছরের অক্টোবরে সম্পদের হিসাব জমা দেন এনায়েত উল্যাহ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এতে তিনি ২১৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে বলে দুদকের কাছে হিসাব দেন। সম্পদ অর্জনের উৎস হিসেবে এনা ট্রান্সপোর্ট (প্রা.) লিমিটেড, সোলার এন্টারপ্রাইজ, এনা শিপিং, এনা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানির নাম উল্লেখ করেন। কিন্তু এরপর আর অনুসন্ধান আলোর মুখ দেখেনি।

পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর এ অনুসন্ধান গতি পায়। এর মধ্যে দুদকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এক আবেদনে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, তার স্ত্রী নার্গিস সামসাদ, ছেলে রিদওয়ানুল আশিক নিলয় ও মেয়ে চাশমে জাহান নিশির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। এরপর দুদকের আরেক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ মে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা বিভিন্ন কোম্পানির ১৭৯টি বাস জব্দের আদেশ দেন আদালত। আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে দেওয়া তালিকায় দেখা যায়, জব্দের আদেশে থাকা ১৭৯টি গাড়ি এনা পরিবহনের নামে নিবন্ধিত। এ ছাড়া একই আদেশে জব্দ হওয়ার আরও ১১টি নিবন্ধিত স্টারলাইন স্পেশাল লিমিটেডের নামে। এদিকে গতকাল এনা পরিবহনের বাসগুলো জব্দের আদেশ কার্যক্রর করতে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানিয়ে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ) নামে একটি সংগঠন।

আদালতে আদেশের ৬ মাস পরও বাসগুলো নিয়ন্ত্রণে না নেওয়া কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বাসের সংখ্যা বেশি, সেগুলো কীভাবে চলছে, কার মাধ্যমে চালানো হবে, এসব একটি জটিল প্রক্রিয়া। এগুলো চলতে গেলে বিআরটিসি, বিআরটিএ এবং পুলিশের সহযোগিতা লাগবে। এ ছাড়া সেগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য রিসিভার নিয়োগ করা লাগবে।

তিনি আরও বলেন, আদালত বিআরটিসিকে রিসিভার নিয়োগ করতে আদেশ দিয়েছেন। বাসগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট উদ্যোগী হয়ে বিআরটিসি, বিআরটিএ ও পুলিশে বিভাগে সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দুই-এক দিনের মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com