বিএনপির অবস্থা অনেকটা পথহারা পথিকের মতো। কোন পথে এগোবেন তা নিয়ে দিশেহারা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিদেশি ‘বন্ধুহীন’ বিএনপি শক্তিশালী কোনো রাষ্ট্রের সমর্থনও পাচ্ছে না। তাই কঠোর আন্দোলনেও সরকার পতন হবে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্ববাসী রাজনৈতিক দলগুলো ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর থেকে একটি প্লাটফর্মে আসার উদ্যোগ নেয়, যা ১৪ দলে স্থায়ী রূপ লাভ করে। পরে ওয়ান-ইলেভেনের পর সেই মোর্চা
বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলে আসছে বিএনপি। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে তারা জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারেনি বলে অভিযোগ বিরোধীদের। তাই কয়েক মাস পর নতুন যে কমিশন গঠন হবে, সে
দীর্ঘদিন পর হেফাজতে ইসলামের সর্বোচ্চ ফোরাম খাস কমিটি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই দুইটি বৈঠকের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত আমীর আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে
আগামী ফেব্রুয়ারিতে শেষ হবে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। পরবর্তী কমিশন গঠন নিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে তৎপরতা। বর্তমান কমিশন গঠনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো ছিল তৎপর। তাদের দেয়া তালিকা থেকে নাম
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, সংসদ ভবন এলাকায় চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের কবরে তার লাশ নেই। ওই কবরসহ সংসদ ভবনের মূল নকশার বাইরে যত স্থাপনা সব সরিয়ে
অসুস্থতার কারণে এত বড় সংগঠনের নতুন দায়িত্ব পালন করা কঠিন হবে মনে করছেন হেফাজতে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তবে কষ্টকর হলেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাসহ মোট ১১টি মামলা শুনানির জন্য দিন রেখেছে আদালত। আগামী ২০ অক্টোবর মামলাগুলোর শুনানি হবে। ঢাকা
কয়েক মাস আগে বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্ক ছেদের গুঞ্জন উঠেছিল। তা নিয়ে অল্পবিস্তর আলোচনাও চলে কিছু দিন। কিন্তু এখন সে অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিএনপি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০-দলীয় জোটের অন্যতম
আধিপত্য বিস্তার, সাংসদ ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের দ্বন্দ্ব, ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়াসহ নানা কারণে কোন্দল লেগেই আছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের তৃণমূলে। এ নিয়ে