1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভক্ত থেকে বিশ্বজয়ী সতীর্থ: মেসির বিদায়ে আলভারেজের আবেগঘন চিঠি ‘লিফট চালু থাকলেও ছয় তলায় সিঁড়ি দিয়ে উঠানো হয়েছে’ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের সোনালি মূর্তি ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে নতুন কমিটি ভূমিকা রাখবে: রিজভী মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রির সীমা বেড়ে ৩ হাজার ডলার প্রত্যেক উপজেলায় সরকারের জরুরি নির্দেশনা আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জাল কাগজপত্রে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যাদেশ রাতে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ দিল্লিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে নতুন মামলা

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ৪ প্রতিপক্ষ, এগিয়ে ভারতীয় ঋষি

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২

ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে আপাতত সবার আগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার দৌড়ে এক প্রতিপক্ষ ছিটকে যাওয়ায় এখন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে চার প্রার্থীর মধ্যে।

সোমবারের ভোটে কনজারভেটিভ পার্টির ১১৫ জন আইনসভার সদস্য তাকে ভোট দিয়েছেন। দৌড়ে আপাতত ঋষির পরেই রয়েছেন পেনি মরডুয়ান্ট। শেষ দফার ভোটে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৮২। এর পরেই আছেন লিজ ট্রাস ৭১ ভোট নিয়ে।

তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব লিজ ট্রাস তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকে। তাদের ধারণা, চতুর্থ স্থানে থাকা বিদ্রোহী প্রার্থী কেমি বাদেনোচ লড়াই থেকে ছিটকে গেলে তার পুরো ভোটটাই পেতে পারেন ট্রাস। সে ক্ষেত্রে তিনি আচমকাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ দু’য়ে চলে আসতে পারেন।

বুধবার পরবর্তী দফার ভোট ব্রিটেনে। ওই দিনই ঠিক হবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় শেষ দু’জন কে হতে চলেছেন।

২১ জুলাইয়ের মধ্যে কনজারভেটিভ পার্টির তরফে এই চার প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে শেষ দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে বেছে নেয়া হবে। তাদের মধ্যেই শেষ লড়াই হবে।

কানজারভেটিভ পার্টি অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়া পর্যন্ত বরিসই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। আপতত ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বরিস জনসন সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। মূলত ‘পার্টিগেট’ থেকে শুরু হয়েছিল জনসন সরকারের ইমেজের পতন। ব্রিটেনে কঠোর কোভিড লকডাউন চলাকালে সরকারি বাসভবনে মদের পার্টি বসানো নিয়ে দলের মধ্যেই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয়েছিলেন বরিস।
সূত্র : আলজাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com