1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

তৃণমূলে বিদ্রোহ, চাপের মধ্যেও আশাবাদী মমতা

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

দলীয় আইনপ্রণেতাদের বিদ্রোহের মুখে পড়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতা হারানোর অল্প সময়ের মধ্যেই দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনপ্রণেতার বিদ্রোহ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

দলের ভেতরে এই অস্থিরতার জেরে প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে তৃণমূলের নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ কতটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকবে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সংগ্রামী রাজনীতির অভিজ্ঞতা এবং জনভিত্তির কারণে তিনি এখনও পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

বিদ্রোহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতেও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বিজেপির জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) আবারও সীমানা নির্ধারণ বিল উত্থাপন করবে। এর আগে প্রয়োজনীয় সমর্থনের অভাবে বিলটি পাস হয়নি। তবে বিদ্রোহী আইনপ্রণেতাদের একাংশের সঙ্গে শাসক জোটের নেতাদের যোগাযোগের খবর সামনে আসায় বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে।

এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছেন মমতার অনুগত সাংসদরা। তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওদের (বিদ্রোহী আইনপ্রণেতা) নেতা পাল্টে গিয়েছে। ওদের নেতার নাম নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু ডাইরেক্টলি বলতে পারছে না যে বিজেপি করি।’

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ মন্তব্যের জবাবে বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম আইনপ্রণেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলাম। ২০০১ সালে আমি বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর হিসেবে লড়েছিলাম। আমি একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি। আমার মাথা কাটা যেতে পারে, কিন্তু আমি মাথা নত করব না। আমি অনেক সহ্য করেছি। এ ধরনের লোকদের কথায় আমার কিছুই যায়-আসে না।’

অন্যদিকে মমতা অনুগত আরেক সাংসদ কীর্তি আজাদ দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক নৈতিকতা থাকে, যদি সৎ হন, তবে নিজেদের তৃণমূলের সাংসদ বলবেন না।’ এ সময় রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করা বিদ্রোহী সুখেন্দু শেখর রায়ের উদাহরণ টেনে আজাদ জানান, তার মতো অন্যদেরও তৃণমূল ও সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com