1. tasermahmud@gmail.com : admi2017 : US Bangladesh
  2. akazadjm@gmail.com : Taser Khan : Taser Khan
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

হঠাৎ ব্লাড সুগার কমে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার

‍ইউএস বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক সচল থাকতে পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মস্তিষ্ক নিজে গ্লুকোজ তৈরি বা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’।

নিউরোলজিস্টদের মতে, গ্লুকোজের সরবরাহ বন্ধ হলে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেতগুলো এলোমেলো হয়ে যায়। এর ফলে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে, এমনকি স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি বা রোগী অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। বিশেষ করে নবজাতক শিশু, ডায়াবেটিক রোগী ও লিভার বা কিডনি সমস্যায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
সুগার কমে যাওয়ার লক্ষণ:

১। অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং শরীর কাঁপা।

২। হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ও মাথা ঘোরা।

৩। প্রচণ্ড খিদে পাওয়া বা হঠাৎ অস্থিরতা বোধ করা।

৪। চোখে ঝাপসা দেখা বা খিটখিটে মেজাজ।

৫। শিশুদের ক্ষেত্রে চোখের মণি অস্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করা।

সুগার ফল করার কারণ:
এন্ডোক্রিনোলজিস্টদের মতে, ওষুধ, খাবার ও পরিশ্রমের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে এই সমস্যা হয়। প্রধান কারণগুলো হলো:
১. ইনসুলিনের ভুল মাত্রা বা ইনসুলিন নিয়ে খাবার না খাওয়া।
২. দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা।
৩. সামর্থ্যের অতিরিক্ত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম।
৪. খালি পেটে মদ্যপান করা।

করণীয়:

১। দ্রুত ৩ চা-চামচ গ্লুকোজ পাউডার পানিতে গুলে অথবা ফলের রস পান করতে দিন।

২। গ্লুকোজ খাওয়ার ১৫ মিনিট পর পুনরায় সুগার পরীক্ষা করুন।

৩। রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে যান বা মুখে খাবার নেওয়ার অবস্থায় না থাকেন, তবে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

সূত্র : এই সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019-2023 usbangladesh24.com