বরিশাল নগরীর ৫ নং ওয়ার্ড পলাশপুর এর মোহাম্মদপুরের মুক্তা বেগমের বেপরোয়া আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর রহমান ওরফে তুলা রহমানের মেয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে পুরো এলাকা জুড়ে কায়েম করেছিলাম মাদক এবং দেহ ব্যাবসার অভয়ারণ্য। সাবেক মেয়র সাদেক আবদুল্লার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন একছত্র অধিপত্য। এমন হেন অপরাধ নেই, যা তিনি করেননি। স্থানীয় প্রবীন ব্যাক্তি কালু শেখ অভিযোগ করে জানান, মুক্তা নিজেকে অনেক বড় মাপের নেত্রী পরিচয় দিয়ে ইয়াবা,গাজা বিক্রির হাট বসিয়েছিলেন মোহাম্মদপুরসহ পুরো পলাশপুরে। প্রশাসনের বিভিন্ন ব্যাক্তির সাথেও তার ছিলো দহরম মহরম। এছাড়াও তার নিজস্ব একটি বাহিনী ছিলো যাদের মাধ্যমে স্থানীয় ভাবে ইয়াবা বিক্রির পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সরবরাহ করতেন। স্থানীয় নারী নেত্রী সুফিয়া জানান, আওয়ামী লীগের আমলে সাদেক আবদুল্লাহর সাথে তোলা ছবি দেখিয়ে নিজেকে অনেক ক্ষমতাধর ব্যাক্তি হিসেবে পরিচয় দিতেন।৷ সেই পরিচয়ের আড়ালেই চলতো তার দেহ ব্যাবসার সিন্ডিকেট।এছাড়াও বিভিন্ন সময় নিজের দেহকে পুজি করে সাধারণ মানুষকে ব্লাকমেইল করে হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা। নিজে একজন ইয়াবাসেবী হওয়ার পাশাপাশি হাটুর বয়সী ছেলেদের নিয়ে নিজ বাড়িতে চালাতেন রংগলিলা। কেউ বাধা দিতে আসলে তাকে মাদক দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। ফলে কেউ তার অনৈতিক কার্যকলাপে বাধা দেওয়ায় সাহস পেত না। কিন্তু, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলেও মুক্তা রয়েছে ধরা-ছোয়ার বাহিরে। সারাদেশে সাধারণ মানুষ যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে,সেখানে মুক্তা কার আশ্রয়ে এখনো তার অপরাধের সাম্রাজ্য বহাল রেখেছেন,সেই প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর। এব্যাপারে জানতে চাইলে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল নিসাদ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। এব্যাপারে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোন অপরাধী বিশেষ করে মাদক ব্যাবষায়ীদের আইনের আওতায় নিতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।
Leave a Reply